আওয়ামী লীগ নেতার স্বেচ্ছাচারিতা; ক্ষমতার অপব্যবহার এখন নিত্যকার ঘটনা। বাকী বিল্লাহ এখন আতংকের আরেক নাম।

লক্ষীপুরের রায়পুর পৌরসভার আ,লীগ নেতার তান্ডব, স্থানীয় ব্যবসায়ীকে মারধর ও জমি দখল। পুলিশ প্রশাসন দেখেও দেখে না কিছুই!!

লক্ষীপুরের রায়পুর পৌরসভার প্রানকেন্দ্রে ঘটে গেলো পৈশাচিক ঘটনা। সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হল নির্যাতনের দৃশ্য, সরকারি দলের পদবী থাকায় কিন্তু পুলিশ প্রশাসন এখনো নিশ্চুপ।  বলছি, রায়পুর পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি, আবার আটরশির দরবার শরিফের মুরিদ কাজী জামশেদ কবির বাকি বিল্লাহ’র কথা। অন্যের জায়গা দখল করে আটরশির ওরশের গরুর প্যান্ডেল করাকে কেন্দ্র করে জমির মালিকানায় থাকা ব্যবসায়ী সাইফুদ্দিন নয়ন নামের এক ব্যক্তিকে নিজে এবং তার অনুসারী সন্ত্রাসী দারা বেধড়ক মারধর করে আহত করার  সিসি টিভি ফুটেজ এখন অনলাইনে ভাইরাল।  গত শুক্রবার রায়পুর পৌরসভার ৮নং ওয়াডের্র সিএনজি স্টেশন এলাকায় এঘটনা ঘটে। এতে ব্যবসায়ী সাইফুদ্দিন নয়ন গুরুতর আহত হয়ে উপজেলা স্বাস্হ্য  কমপ্লেক্স ভর্তি রয়েছেন।

অভিযুক্ত বাকী বিল্লাহ

স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, বাকী বিল্লাহ দীর্ঘ দিন যাবত প্রভাব খাটিয়ে রায়পুর বাজারস্থ ভুঁইয়া বাড়ির জায়গা আটরশির ওরশের জন্য ব্যবহার করে আসছে। এতে বাড়ির বাসিন্দাদের অনুমতি গ্রহন বা তাদের নিরাপত্তার তোয়াক্কাও করেনি এই আওয়ামীলীগ নেতা। এ রকম অনেক অভিযোগ রয়েছে এই নেতার বিরুদ্ধে। ওরশের গরুর রক্ষনাবেক্ষন ও ওরশ সমাপ্ত হয়ার পর সকল বজ্য-আবর্জনা ওই বাড়ির আঙিনাতেই ফেলে রাখা হত। এর জের ধরে জমির মালিকানায় থাকা সাইফুদ্দিন নয়ন ও তার মেঝ ভাই বাকী বিল্লাহ কে সমস্যার কথা অভিহিত করে প্যান্ডেল না করার জন্য অনুরোধ করে। এসময় বাকী বিল্লাহ ও অনুসারী লোকজন তাদের উপর চোড়াও হয়।

সিসিটিভি’র ফুটেজ অনুযায়ী দেখা যায়, শান্তিপুর্ন আলোচনার মাঝে বাকী বিল্লাহ ও তার সাংগপাংগ রা নয়ন ও তার ভাই কে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করছে, এবং ক্ষুব্দ কয়েকজন তাদের প্রকাশে্্য মারধর শুরু করে। এতে নয়ন বাচতে তার মেঝ ভাইয়ের ঘরে ঢুকলে, ঘরের ভিতরে গিয়ে এক দল তার উপর হামলা করে। বেশ কিছুক্ষন পর নয়ন কে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখা যায়।

ছবি- আহত সাইফুদ্দিন নয়ন (স

এ বিষয়ে ব্যবসায়ী নয়ন রায়পুর থানায় বাকী বিল্লাহ সহ ৪জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করে মামলার জন্য আবেদন করেন। তবে তৎক্ষনাত পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেও কাউ কে গ্রেপ্তার করে নি। এ ব্যপারে থানা ইনচার্জ শিপন বড়ুয়া সাথে ফোনে আলাপ করলে তিনি জানান এ ব্যপারে তিনি ওয়াকিবহাল আছেন। তদন্ত শেষ হলে ব্যবস্থা গ্রহন করবেন।

স্থানীয় দের অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, সিসিটিভি ফুটেজে যেহেতু সব কিছু পরিষ্কার, তাহলে অভিযুক্তদের কেন গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না। তারা আশংকা করছেন ঘুষ বানিজ্য করে আসল অপরাধিদের পুলিশ আড়াল করতে চাইছে।

মূঠোফোনের মাধ্যমে বাকী বিল্লাহর সাথে কথা বলার চেষ্টা করা হলে তিনি সাংবাদকর্মীকে দেখে নিবেন বলে শাশিয়েছেন।

Leave a comment

Design a site like this with WordPress.com
Get started