নোয়াখালী জেলা আ. লীগের সাধারণ সম্পাদক একরামুল করিম চৌধুরী ও তার পরিবার আ.লীগের সকল ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকা ও দল ছেড়ে দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন । বৃহস্পতিবার (৫ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে নোয়াখালী জেলা আ.লীগ কার্যালয়ে পৌর আ.লীগের সভাপতি আবদুল ওয়াদুদ পিন্টুর সঞ্চালনায় জেলা আ.লীগের সভাপতি খায়রুল আনাম সেলিমের সভাপতিত্বে শহীদ শেখ কামালের ৭২-তম জন্মদিন উদযাপন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, আজকে এ মিটিং থেকে বলতেছে। যখনই যে ঢুকতে পারেবেন ছেড়ে দিচ্ছি। সাংবাদিক ভাইয়েদেরকে বলি, আমি খুব স্টেট কার্ট কথা বলি। আমার ছেলে, আমি আমরা সিদ্ধান্ত নিছি রাজনীতির সাথে থাকবো না। নোয়াখালীর রাজনীতির সাথে, নোয়াখালী না, সারা বাংলাদেশের আ. লীগ রাজনীতির সাথে আর থাকবো না। নিজেদের ইনকাম দিয়ে ‘বাম্বু’ খাবো, এ রাজনীতি করার চেয়ে না করাই ভালো। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলার চেয়ারম্যান এ কে এম সামছুউদ্দিন জেহান, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাওলা লিটন, আবদুল মমিন বিএসসি, সদর উপজেলার আ. লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আতাউর রহমান নাছের প্রমূখ। অপরদিকে, দুপুর পৌনে ৩টার দিকে একরামুল চৌধুরী এমপি নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে লাইভে এসে তিনি দাবি করেন তার বক্তব্যকে ভুল ব্যাখা দেয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, যারা একবার আ.লীগ করে তারা কখনো আ.লীগ ছাড়তে পারেনা। আমি আ.লীগকে ভালোবাসি। দল যতদিন মনে করে আমাকে থাকা দরকার ততদিন আমি থাকব। দলের কাজে নিজেকে বিসর্জন দিব। তবে এর আগেই একরামুল করিম চৌধুরী এমপির দল ছাড়ার ঘোষণার বক্তব্যের ২৬ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে পড়েছে।
নোয়াখালী জেলার সেনবাগ উপজেলায়, করোনা ভাইরাস কোভিড-১৯ এর টিকা ইউনিয়ন পর্যায়ে প্রদানের উপর এক প্রস্তুতি মূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়। আজ ০৪ আগস্ট রোজ বুধবার সকাল ১০.৩০ মিঃ সময় সেনবাগ উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর কক্ষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: সাইফুল ইসলাম মজুমদার সভাপতিত্বে সভার কাজ আরম্ভ হয়। প্রস্তুতি মূলক সভায় সদস্য সচিব হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা মতিউর রহমান।এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন-উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ক্ষেমালিকা চাকমা, সেনবাগ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল বাতেন মৃধা, সেনবাগ উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো:আরিফুর রহমান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা অখিল শিকারি, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের প্রতিনিধি মোঃ খুরশিদ আলম, ১নং ছাতারপাইয়া ইউপি’র চেয়ারম্যান আবদুর রহমান, ২নং কেশারপাড় ইউপি’র চেয়ারম্যান বেলাল হোসেন ভূইঁয়া, ৪নং কাদরা ইউপি’র চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান পলাশ, ৫নং অর্জুনতলা ইউপি’র চেয়ারম্যান আবদুল ওহাব বিএসসি-এমএড , ৭নং মোহাম্মদপুর ইউপি’র চেয়ারম্যান রুহুল আমিন ভূইঁয়া, ৯নং নবীপুর ইউপি’র চেয়ারম্যান আমিন উল্যাহ বিএসসি, সাংবাদিক মোঃ গিয়াস উদ্দিন স্বপন, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু নাছের, ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ রিপন, জাহাঙ্গীর পাটোওয়ারী, আমির হোসেন লিটন। এছাড়াও প্রতিটি ইউনিয়নের উদ্যোক্তা এবং সরকারী হাসপাতালের দায়িত্ব প্রাপ্ত বিভিন্ন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। উক্ত প্রস্তুতি সভায় আগামী ৭ আগষ্ট থেকে ১১ আগষ্ট পর্যন্ত এ সময়ের মধ্যে প্রত্যেক ইউনিয়ন পর্যায়ে ১৮ বছরের উর্ধ্বে সকল নাগরিকদের শতভাগ ভ্যাকসিন নিশ্চিত করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
করোনার সংক্রমণ প্রতিরোধে চলমান কঠোর বিধিনিষেধের মেয়াদ আগামী ১০ আগস্ট পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। আজ মঙ্গলবার করোনা পরিস্থিতি নিয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে সচিবালয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। এর আগে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভাকক্ষে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। সভায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক, মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া সভায় ভার্চুয়ালি মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা যুক্ত ছিলেন। মোজাম্মেল হক বলেন, ‘চলমান কঠোর বিধিনিষেধের মেয়াদ আগামী ১০ আগস্ট পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। আগামী এক সপ্তাহ ব্যাপকভিত্তিক টিকা দান কার্যক্রম পরিচালনার পর ১১ অগাস্ট থেকে দোকানপাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও অফিস খুলবে। সীমিত পরিসরে ‘রোটেশন করে’ যানবাহন চলবে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তর এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। ১০ তারিখ পর্যন্ত বিধিনিষেধের সময়ের মতো চলবে, ১১ তারিখ থেকে খুলবে অফিস।’ তিনি বলেন, আগামী ১ সপ্তাহে ১ কোটি মানুষকে ভ্যাকসিনেটেড করবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। ওয়ার্ড-ইউনিয়নে ৫ থেকে ৭টি কেন্দ্র করে ১ কোটি মানুষকে ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। মানুষকে ভ্যাকসিন নিতে দৌড়াতে হবে না, আমাদের লোকজনই তাদের কাছে পৌঁছে যাবে। টিকা না নিয়ে কেউ কাজে যোগ দিতে পারবেন না জানিয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী বলেন, কাজে যোগদিতে হলে অবশ্যই ভ্যাকসিন নিতে হবে। ১৪ হাজার কেন্দ্রে ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। আইন না করলেও অধ্যাদেশ জারি করে হলেও শাস্তি দেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হবে। ১১ আগস্টের পর ভ্যাকসিন ছাড়া কেউ মুভমেন্ট করলে শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে। তিনি বলেন, লঞ্চ, স্টিমার আছে, রেল আছে, সেগুলোও চলবে। সব যে পরিমাণে অতীতে চলছিল, সে পরিমাণ না চলে সীমিত আকারে চলবে। কর্তৃপক্ষ সেগুলো নির্ধারণ করে জনগণকে অবহিত করবে। যেমন রেল হয়তো ১০টা চলতো, এখন ৫টা চলবে। কোন কোন সময়ে কোনটা ছাড়বে এবং কীভাবে যাবে, এগুলো স্ব স্ব মন্ত্রণালয় ও ডিপার্টমেন্ট জনগণকে অবহিত করবে, যাতেকরে কোনো গ্যাপ না থাকে। সভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, সাত দিনের জন্য বাংলাদেশের প্রতিটি ইউনিয়নে টিকা দেওয়ার কর্মসূচি আমরা হাতে নিয়েছি। এই সাত দিনে প্রায় এক কোটি টিকা আমরা দেবো, এটাই আমাদের উদ্দেশ্য। টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রে গ্রামের যারা বয়স্ক তাদের অগ্রাধিকার দেবো। কারণ তাদের মৃত্যু ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ। গ্রামের পঞ্চাশোর্ধ যারা তারাই বেশি মারা যাচ্ছেন, সেই কারণে টিকা আমরা গ্রামে নিয়ে যাচ্ছি। তিনি বলেন, মাস্ক পরিধান ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা খুব গুরুত্বপূর্ণ। এটি পুরোপুরিভাবে বাস্তবায়ন করতে চাইলে পুলিশকেও ক্ষমতা দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। যাতে করে কিছু জরিমানা করতে পারে। এ বিষয়ে অধ্যাদেশ লাগবে, আমরা হয়তো সেদিকেই যাব।
সেনবাগ উপজেলা ০৬ নং কাবিলপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ শাহাপুর সেনবাগে প্রবাসী ইঞ্জিনিয়ার মোস্তফা মিয়া ও কাবিল মিয়ার ফাউন্ডেশনের ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ আজ সকাল ১০ টা অনুষ্ঠিত হয়। কাবিল মিয়া ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ নুর নবী ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল হাসান (সবুজ) ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন। মোঃ মোস্তফা মিয়ার সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন ছালাহ উদ্দিন পারভেজ, সাইফুল ইসলাম, ফিরোজল হক বাবু, মোঃ বেলাল হোসেন, মোঃ মোশাররফ হোসেন মাসুদ সহ অন্যান্য । এ সময় এলাকার দুঃস্থ, অসহায় ১১৫টি পরিবারের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়। খাদ্য সামগ্রীর মধ্যে আলু ৪ কেজি, ডাল ১ কেজি, পেঁয়াজ ১ কেজি, মোরগী ১ টা, মসল্লা সামগ্রী ১ টা।
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পাকা ভবন নির্মাণ কাজে বাধা দেওয়ায় মামলার বাদী সালামত উল্যা (৬০) তার পুত্রবধু তানিশা বেগম (২১) কে পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছে প্রবাসী মাঈন উদ্দিনের ভাই মোঃ কামাল হোসেনের নেতৃত্বে ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীরা । ঘটনাটি ঘটেছে ৩ আগষ্ট মঙ্গলবার সকালে উপজেলার করপাড়া ইউপির আনন্দীপুর গ্রামের এত্তুর বাড়িতে। বাড়ির লোকজন সালামত উল্যা ও তার পুত্রবধু তানিসাকে উদ্ধার করে রামগঞ্জ সরকারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। স্থানীয় মোহাম্মদীয়া বাজার ফাড়ি থানার সহকারী উপ-পুলিশ পরিদর্শক মোঃ সোহাগ উদ্দিন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে কোন আইনী ব্যবস্থা না নিয়ে মামলার বাদী সালামত উল্যা ও বিবাদী মোঃ কামাল হোসেন গংদের রাতে ফাড়ি থানায় দেখা করতে বলেছে। পুলিশের এমন কর্মকান্ডে করপাড়া ইউনিয়নব্যাপী ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রামগঞ্জ উপজেলাধীন ৮৩ নং আনন্দিপুর মৌজার আর,এস ১৪৩ নং খতিয়ান ভূক্ত ৬২৭,৬৫২ দাগের অন্দরে ১৭শতাংশ সম্পত্তি উপর আদালত কোন প্রকার ঘর দরজা বা পাকা ভবন অথবা কোন প্রকার পরিবর্তন করা যাবেনা এমর্মে আদেশ প্রদান করেন। কিন্তু নিজের মালিকানা দাবি করে ভূক্তভূগী সালামত উল্যা গত ২৪ জুন ২০২১ইং লক্ষ্মীপুর জেলা অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৪৪/১৪৫ ধারায় একটি মিছ মামলা দায়ের করে। কিন্তু কামাল হোসেন জোরপূর্বক ভাড়াটিয়া লোকজন নিয়ে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য ভবন নির্মান করতে গেলে ভূক্তভোগী সালামত উল্যা বাধা প্রদান করলেও কামাল হোসেন হোসেনের নেতৃত্বে ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীরা দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্র নিয়ে বসতঘরের দরজা জানালা ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করে মামলার বাদী সালামত উল্যা ও তার পুত্রবধু তানিসাকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে মোবাইল ফোন ও গলার স্বর্নের চেইন লুটপাট করে নিয়ে যায়। এদিকে অজ্ঞাত কারনে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কাজ বন্ধ না করে ভবন নির্মান কাজ অব্যাহত রাখতে মৌখিক নির্দেশনা দিয়েছে পুলিশ। এমনটিই জানিয়েছেন ভূক্তভোগী সালামত উল্যা। মামলার বাদী সালামত উল্যা জানান, কামাল হোসেন প্রভাবশালী হওয়ায় আমাদের সম্পত্তি জোরপূর্বক জবর দখল করে আদালতের নির্দেশ অমান্য করে ভবন নির্মাণ করতে গেলে আমি বাধা প্রদান করতে গেলে ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী দিয়ে আমাদের উপর হামলা করে। আদালতে মামলা করার পরে পুলিশ স্থিতিবস্থা জারি না করে উল্টো কামালকে কাজ চালিয়ে নিতে সহযোগীতা করেছে। এব্যাপারে অভিযুক্ত কামাল হোসেন ও ঠিকাদার আবদুল মোতালেব জানান,চেয়ারম্যান মজিবুল হক মজিব আমাদের কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন। সেই মোতাবেক আমরা নির্মান কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। তদন্তকারী কর্মকর্তা মোহাম্মদীয়া বাজার ফাড়ি থানার মোঃ আলমগীর হোসেন জানান জানান,মারামারির খবর শুনে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে একজনকে আটক করা হয়েছে। পরে মুচলিকা নিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে নির্মান কাজ বন্ধ করার দায়িত্ব পুলিশের নয়।
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাটে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের গ্রামের বাড়ির সামনের সড়কে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় কোন হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে ঘটনাস্থল থেকে ৫টি অবিস্ফোরিত ককটেল ও ১ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করেছে কোম্পানীগঞ্জ থানা পুলিশ।
সোমবার বিকেল চারটার দিকে বসুরহাট পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের বড় রাজাপুর গ্রামের বসুরহাট টু দাগনভূঞা সড়কে এ ঘটনা ঘটে।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুদ্দিন আনোয়ার জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সু-প্রভাত চাকমা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তবে কে বা কাহারা দিনে দুপুরে এ ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটিয়েছে এ বিষয়ে পুলিশ কিছু জানাতে পারেননি।
ওসি সাইফুদ্দিন আরও জানান, মন্ত্রী বাড়ির সামনে বসুরহাট টু দাগনভূঞা সড়কের ফাঁকা জায়গায় কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়। এ ছাড়া ৫টি অবিস্ফোরিত ককটেল ও একটি কার্তুজ ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। খবর পেয়ে পুলিশ তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আব্দুল কাদের মির্জার অনুসারীরা এ ঘটনার জন্য কাদের মির্জার প্রতিপক্ষ দলীয় নেতাকর্মীদের দায়ী করছেন।
কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আ.লীগের সাবেক সভাপতি খিজির হায়াত বলেন, কাদের মির্জার এটি একটি সাজানো নাটক। বসুরহাট টু দাগনভূঞা সড়ক,এটি একটি আঞ্চলিক মহাসড়ক। এ সড়কে বার বার ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে কাদের মির্জা ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায়। যুক্তরাষ্ট্র থেকে কাদের মির্জার নির্দেশে কোম্পানীগঞ্জকে অস্থিতিশীল রাখতে এবং প্রতিপক্ষের নেতাকর্মীদের ফাঁসানের জন্য তার অনুসারীরা এমন ঘটনা ঘটিয়ে। এ সময় তিনি পুলিশ প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান তারা যেন বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রকৃত রহস্য উদঘাটন করে।
বঙ্গবন্ধুর নির্মম হত্যাকান্ডের অন্তত ১৫ মাস আগে অভ্যুত্থান নিয়ে আমেরিকানদের দৃষ্টিভঙ্গি জানার চেষ্টা করেছিল খুনিরা। এছাড়াও, অভ্যুত্থানের পর বিদেশি কোন শক্তি, বিশেষ করে ভারত যাতে হস্তক্ষেপ করতে না পারে সেই দিকটা আমেরিকা দেখবে কিনা সেটাও যাচাই করতে চেয়েছিল তারা। শুধু তাই নয়, এর আগেও তারা আমেরিকান দূতাবাসে যান বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর জন্য আমেরিকা থেকে অস্ত্রকেনার লক্ষ্যে তথ্য জানতে। তখন তারা দেশে সেনা অভিযানে হস্তক্ষেপ ও দলীয় বিবেচনার বিষয় গুরুত্ব দেয়ায় সেনাবাহিনীর মধ্যে ক্ষোভের কথা সেখানে ব্যক্ত করেন। আমেরিকান সাংবাদিক ও লখক বি জেড খসরু‘র ইংরেজিতে লেখা ‘দি বাংলাদেশ মিলিটারি ক্যু এন্ড দ্য সিআইএ লিঙ্ক’ গ্রন্থে এ ব্যাপারে বিস্তারিত বর্ণনা আছে। গ্রন্থটি বাংলায় অনুবাদ করেছেন সিরাজ উদ্দিন সাথী। বাংলাদেশে দি ইউনিভার্সেল একাডেমি গ্রন্থটি প্রকাশ করেছে। বি জেড খসরু তাঁর গ্রন্থে লিখেন, ঢাকার আমেরিকান দূতাবাস এমন অভ্যত্থানের কথা শুনেছিল ১৫ আগস্টের ঘটনার অন্তত ১৫ মাস আগে। ১৯৭৪ সালের ১৩ মে সন্ধ্যায় লেফটেন্যান্ট কর্নেল সৈয়দ ফারুক রহমান (বহিষ্কৃত) আগে থেকে না জানিয়েই আমেরিকান দূতাবাসের জনসংযোগ অফিসার উইলিয়াম গ্রেসামের বাসায় যান। ফারুক তাকে জানায় যে, উর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তার নির্দেশে তিনি এসেছেন আমেরিকানদের মনোভঙ্গি সর্ম্পকে জানার জন্য। তিনি বলেন, তারা নিশ্চিত হতে চান সরকারকে হটিয়ে ক্ষমতা গ্রহন করলে আমেরিকানদের দৃষ্টিভঙ্গি কি হবে। ফারুক তাকে বলেন, বিদেশি কোন শক্তি যাতে হস্তক্ষেপ করতে না পারে সে দিকটা আমেরিকা দেখবে কি না। ফারুক বিশেষ করে ভারতের কথা বোঝাতে চায়। ফারুক গ্রেসামকে জানায়, সারা দেশে সেনা অভিযান চলাকালে শেখ মুজিব আওয়ামী লীগ নেতাদের না ধরার জন্য যে আদেশ দিয়েছেন তাতে সেনাবাহিনী সরকারের উপর ভীষণ চটে আছে। গ্রেসাম ফারুককে জানান, আমেরিকা বর্তমান সরকারকে স্বীকৃতি দেয় এবং বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কোন হস্তক্ষেপ করবে না। তবে, ফারুকের এই সাক্ষাতের বিষয়টি দূতাবাস ওয়াশিংটন স্টেট ডিপার্টমেন্টকে অবগত করে। তারা একে অস্বাভাবিক অ্যাপ্রোচ বলে আখ্যায়িত করে। তারা বর্ণনা করে বলেন, গত দু’বছরে এটাই প্রথমবার সেনাবাহিনীর অসন্তোষ এবং ক্যু-এর খবর নয়। আগেও এমন কথা দূতাবাসের কানে এসেছে। কিন্তু এর কোনটাই সত্য হয় নাই। তারা আরো উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর জন্য আমেরিকা থেকে অস্ত্র কেনার লক্ষ্যে তথ্য জানতে ফারুক ও রশীদ এক বছর আগে আমেরিকান দূতাবাসে যান। তখন তারা সেনা অভিযানে হস্তক্ষেপ ও দলীয় বিবেচনার বিষয় গুরুত্ব দেয়ায় সেনা বাহিনীর মধ্যে ক্ষোভের কথা ব্যক্ত করেন। মার্কিন দূতাবাস ফারুকের এই সাক্ষাতের বিষয়টি যতই অস্বাভাবিক অ্যাপ্রোচ বলে আখ্যায়িত করুক না কেন এবং বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কোন হস্তক্ষেপ করবে না জনালেও পরবর্তী সময়ে তাদের কিছু তৎপরতা কিন্তু সেই অবস্থানকে প্রকাশ করে না। এধরনের খবরের নির্ভরযোগত্য যাচাইসহ অভূ্যূত্থানের সম্ভাব্য দিক নিয়েও বিস্তর চিন্তা ভাবনা চর্চা করতে দেখা গেছে তাদের। স¦ল্প মেয়াদে সেনাবাহিনীর কার্যকর নিয়ন্ত্রন নেয়ার সক্ষমতা আছে কিনা, অভ্যুত্থান ঘটিয়ে শেখ মুজিবকে হত্যা কিংবা জেলে নেয়া অথবা জোরপূর্বক বিদেশে পাঠানো হলে এর ফলাফল কি হতে পারে এসব নিয়েও তাদের অনুসন্ধান অব্যাহত ছিল। এ ব্যাপারে বি জেড খসরু লেখেন, এর আগেও আমেরিকান দূতাবাস ক্যু সংক্রান্ত খবরের অনেকগুলো রিপোর্ট পাঠায় ওয়াশিংটনে। তখন উল্লেখ করা হয় ২১ মার্চ থেকে ১৮ এপ্রিলের মধ্যে সেনাআহিনী ক্যু ঘটাতে পারে। এই সব রিপোর্টের প্রেক্ষিতে ১৯৭৫ সালের ২০ মার্চ স্টেট ডিপার্টমেন্ট এমন খবরের নির্ভরযোগ্যতা সর্ম্পকে জানতে চায় দূতাবাসের কাছে। তারা জানতে চানÑস্বল্পমেয়াদে সেনাবাহিনীর কার্যকর নিয়ন্ত্রন নেয়ার সক্ষমতা আছে কিনা , অভ্যুত্থান ঘটিয়ে শেখ মুজিবকে হত্যা কিংবা জেলে নেয়া অথবা জোরপূর্বক বিদেশে পাঠানো হলে এর ফলাফল কি হতে পারে? অভ্যুত্থান হলে শেখ মুজিব কি তাঁর নেতৃত্ব অভ্যুত্থান পরবর্তী নেতাদের হাতে ছেড়ে দেবেন? এইসব প্রশ্ন ছাড়াও স্টেটডিপার্টমেন্ট জানতে চায় অভ্যুত্থান চেষ্টা ব্যর্থ হলেও কিংবা পরিকল্পনা আগে ফাঁস হয়ে গেলে বাংলাদেশ সরকারের গতি প্রকৃতি কি হবে? আমেরিকার জন্য এমন অভ্যুত্থানের প্রভাব কি হবে সেই বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে রিপোর্ট দিতে বলে স্টেটডিপার্টমেন্ট। এতে ইতিবাচক ও নেতিবাচক দু’ধরনের সম্ভবনার কথাই বলা হয়। ঢাকাস্থ আমেরিকান দূতাবাস ২২ মার্চ আট পৃষ্ঠার এক বিশ্লেষণে স্টেট ডিপার্টমেন্টের প্রশ্নমালার জবাব দেয়। ডেপুটি চিফ অব মিশন আরভিং চেসলো উল্লেখিত মেয়াদের মধ্যে কেন অভ্যুত্থান ঘটতে পারে তার বিশ্লেষণ করে লিখেন, বাকশাল গঠিত হওয়ায় ভারতপন্থি ও সোভিয়েটপন্থি ন্যাপ-কমিউনিস্ট পার্টিকে সাথে নিয়ে শেখ মুজিবের ক্ষমতা সুসংহতকরণের আগেই হয়তো তারা অভ্যুত্থান ঘটাতে পারে। তবে, তাদের মধ্যে যেমন ধৈর্য্যহীনতা আছে, তেমনি আছে পরিকল্পনা ফাঁস হয়ে যাওয়ার ভয়। আমেরিকান কূটনীতিকগণ ধারণা করেছিলেন ১৯৭৫ সালের শুরুর দিকে যখন শেখ মুজিব বাকশাল গঠন নিয়ে ব্যস্ত থাকবেন তখন এই অভ্যুত্থান ঘটতে পারে। তবে, অভ্যুত্থান চেষ্টার সম্ভাবনা নিয়ে চেসলোর সন্দেহ ছিল। তিনি লিখেন ‘আমাদের প্রশ্ন জাগেÑঅপেক্ষাকৃত অনভিজ্ঞ তরুন অফিসারদের এমনটা করার আতœবিশ^াস কতটুকু আছে ? কতটা সক্ষমতা আছে এবং তাদের সহকর্মীদের উপর কতটা নির্ভর তারা করতে পারবে? অথচ এর উপরেই হয়তো নির্ভর করবে তাদের পরিকল্পনার সাফল্য। অন্যদিকে চেসলো তার এই বিশ্লেষণে আবার অভ্যুত্থান সফল হওয়ার দিকও বর্ণনা করেছেন। তিনি লিখেন, যদি সেনাবাহিনী ঐক্যবদ্ধ থাকে তাহলে স্বল্পমেয়াদে দেশে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার শক্তি থাকবে তাদের। তবে, তাদের সফলতার শর্ত হবে শেখ মুজিবকে জিম্মায় নেয়ার পর সেনাবাহিনীর ঐক্য বজায় রাখা। যদি, তাদের মধ্যে বিভাজন দেখা দেয় এবং উপদলীয় কোন্দল প্রাধান্য পায় তাহলে তারা কার্যকর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠায় ব্যর্থ হবে। আর যদি তারা একত্রে মিলে একে সফল করে তাহলে বাঙালি জনগণ তাদের পক্ষে এসে দাঁড়াবে। তবে, রিপের্টে ২১ মার্চ থেকে ১৮ এপ্রিলের মধ্যে সেনাবাহিনী ক্যু ঘটাতে পারে বলা হলেও ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্ট এই অভ্যুত্থান ঘটানো হয়। পঁচাত্তরের শোকাবহ এই কালরাতে সেনাবাহিনীর কতিপয় বিপথগামী সদস্য ধানমন্ডির বাসভবনে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে। ঘাতকরা শুধু বঙ্গবন্ধুকেই হত্যা করেনি, তাদের হাতে সেদিন একে একে প্রাণ হারিয়েছেন বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিনী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, বঙ্গবন্ধুর সন্তান শেখ কামাল, শেখ জামাল ও শিশু শেখ রাসেলসহ পুত্রবধু সুলতানা কামাল ও রোজি জামাল। এ নিয়ে আমেরিকান দূতাবাস প্রেরিত স্টেট ডিপার্টমেন্টের একটি গোপন দলিলে বলা হয়েছে, ক্যু এর পরিকল্পনা হয়েছে সেনাবাহিনীর মধ্য থেকে। রিপোর্টে বিশদ কিছু না থাকলেও ১৫ আগস্টের অভ্যুত্থানের ঘটনা ঢাকায় আমেরিকান এক্সপ্রেসে কর্মরত ফিনলে মোদি তার কোম্পানিকে লিখে জানান যে, জুনিয়র সেনা অফিসারদের দ্বারা পরিচালিত এই অভ্যুত্থান দক্ষিণপন্থি ও ইসলামপন্থিদের বলে মনে হয়। এতে অধিকাংশ সেনার কোন সংশ্লিষ্টতা ছিল না। সেনাবাহিনী বিভক্ত হয়ে আছে। ভবিষ্যতে এর বিরুদ্ধে পাল্টা ক্যু হতে পারে। নিউ ইয়র্কে অবস্থিত তার কোম্পানির সদর দপ্তরে পৌঁছে দেয়ার জন্য ঢাকাস্থ আমেরিকান দূতাবাস তার এই বার্তাটি ওয়াশিংটনে পাঠায়।
জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। প্রতিষ্ঠানটি শতাধিক পদে মোট ৬২৮ জনকে নিয়োগ দেবে। আগ্রহীরা অনলাইনেই আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের শেষ তারিখ ৩১ আগস্ট, ২০২১।
বেতন ও পদের বিবরণ জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ অনুযায়ী ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের পদে নিয়োগ দেওয়া হবে ৫৮৩ জন। আর বিশেষ আর্মি অর্ডার ২০১৮ অনুযায়ী নিয়োগ পাবেন ৪৫ জন।
বয়সসীমা আগ্রহীদের বয়স ৩১ আগস্ট, ২০২১ তারিখে ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে। মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের জন্য বয়সসীমা ৩২ বছর পর্যন্ত শিথিলযোগ্য।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সেনাবাহিনীতে নিয়োগের জন্য দালাল বা প্রতারক থেকে সতর্ক থাকতে হবে। কেউ যদি নিয়োগের জন্য টাকা লেনদেনের প্রস্তাব দেয়, তাকে নিকটস্থ আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার কাছে সোপর্দ করতেও বলা হয়েছে।
নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার নিঝুম দ্বীপ ইউনিয়নে এক গৃহবধূ বাবার বাড়িতে বিষ পানে আত্মহত্যা করেছে। নিহত লিমা আক্তার (২৮) উপজেলার নিঝুম দ্বীপ ইউনিয়নে ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মদিনা নগর গ্রামের জাফর উদ্দিনের মেয়ে। বুধবার (২৮ জুলাই) দুপুরে পুলিশ মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, লিমা আক্তারের সাথে ঢাকা থেকে নিঝুম দ্বীপে আসা মো.ননু মিয়া (৭১) নামে এক বৃদ্ধের সাথে বিয়ে দেন তার মা মিনারা বেগম। এ বিয়েতে লিমার কোন মত ছিলনা। কিন্তু তার মা মিনারা বেগম জোরপূর্বক তাকে ওই বৃদ্ধের সাথে বিয়ে দেয়। এ নিয়ে গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় লিমার সাথে ঝগড়া বেধে যায় তার মায়ের। এরপর রাত সাড়ে ৮টার দিকে পরিবারের সদস্যদের অগোচরে সে বিষ পানে আত্মহত্যা করে। খবর পেয়ে নিঝুম দ্বীপ পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ ফাঁড়িতে এনে রাখে। তারপর দুপুরের দিকে ময়না তদন্তের জন্য মরদেহ নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে। তবে নিহতের মা মিনারা বেগম দাবি করেন, তার মেয়ে শারীরিক ভাবে অসুস্থ থাকায় বিষপানে আত্মহত্যা করেছে।
নিঝুম দ্বীপ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সৌরজিৎ বড়ুয়া জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে। এ ঘটনায় নিহতের মা একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করবেন বলে জানিয়েছেন।
নোয়াখালীর হাতিয়ার মেঘনা নদীতে ১২জন মাঝিমাল্লাসহ মাছ ধরার ট্রলার ডুবির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ট্রলারে থাকা ১১জন জেলেকে আশেপাশে থাকা অন্যান্য ট্রলারের সহযোগিতায় জীবিত উদ্ধার করা হয় এবং একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এ দুর্ঘটনায় নিখোঁজের সাড়ে ৭ঘন্টা পর বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টার দিকে কোস্টগার্ড হাতিয়া উপজেলার চরকিং ইউনিয়নের চর বগুলা এলাকার মেঘনা নদী থেকে এক জেলের মরদেহ উদ্ধার করে। পরেরাত পৌনে বারটায় তাদেরকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেন।
নিহত শ্যামল চন্দ্র জলদাস (৩০) উপজেলার চরকিং ইউনিয়নের দক্ষিণ শুল্লুকিয়া চর বগুলা মার্কেট এলাকার মতিলাল চন্দ্র জলদাসের ছেলে।
এর আগে একই দিন দুপুর ১টার দিকে ১২জন মাঝিমাল্লাসহ দুপুর ১টার দিকে প্রবল স্রোতের কবলে পড়ে উপজেলার চর ঈশ্বর ইউনিয়নের কাজীর ঘাট সংলগ্ন মেঘনা নদীতে এ মাছ ধরার ট্রলার ডুবির ঘটনা ঘটে।
কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোনের কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট এম তাহসিন রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি আরও জানান, হাতিয়া থেকে দুপুরের দিকে মাছ শিকারের জন্য ১২জন মাঝিমাল্লাসহ মেঘনা নদীতে যায় একটি মাছ ধরার ট্রলার। এ সময় ট্রলারটি মেঘনা নদীর কাজীর ঘাটের অদূরে পৌঁছলে বৈরী আবহাওয়ার ও প্রবল স্রোতের কবলে পড়ে ১২জন মাঝিমাল্লাসহ ট্রলারটি উল্টে ডুবে যায়। এ সময় দুর্ঘটনার শিকার ট্রলারে থাকা ১১জন জেলেদেরকে পাশ্ববর্তী মাছ ধরার কয়েকটি ট্রলার এসে জীবিত উদ্ধার করে। এতে শ্যামল চন্দ্র নামে এক জেলে নিখোঁজ হয়ে যায়। পরে কোস্টগার্ড হাতিয়া সন্ধ্যা ৬টার দিকে খবর পেয়ে আড়াই ঘন্টা অভিযান চালিয়ে রাত সাড়ে ৮টার দিকে নিখোঁজ জেলের মরদেহ উদ্ধার করে।
করোনার এই ভয়াবহতার মধ্যেও লকডাউন অমান্য করে বেগমগঞ্জ থেকে মাইক্রোবাস যোগে সেনবাগে বিয়ের ফর্দ করতে এসে মো.নুরুল আফসার নামের এক ব্যাক্তি ভ্রাম্যমাণ আদালত পাঁচ হাজার টাকা অর্থদন্ড করেছেন। এসময় বর পক্ষককে পরিবহন করায় মাইক্রো চালক মনিকও দুই হাজার টাকা অর্থদন্ড করে ভ্রাম্যমাণ আদালত। বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) বিকেলে নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার বীজবাগ ইউনিয়নের বীরনারায়নপুর গ্রামে ওই ঘটনাটি ঘটেছে। ভ্রাম্যমাণ আদালত সুত্রে জানা গেছে, নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার ১৩ রসুলপুর ইউনিয়নের লাউতলী গ্রাম থেকে থেকে স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করে মাইক্রোবাস করে মো.নুরুল আফসার সোহেল পরিবারের শিশু সহ ৫/৭ জনের সদস্যকে নিয়ে ছেলের বিয়ের পর্দ করতে ৮নং বীজবাগ ইউনিয়নের বীর নারায়নপুর গ্রামের আসছিলেন। এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম চালাচ্ছিলেন সেনবাগ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো.সাইফুল ইসলাম মজুমদার। এ সময় তিনি সড়কে চলমান গাড়ি থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের এক প্রর্যায়ে তারা স্বীকার করেন ছেলের বিয়ের এঙ্গেজমেন্টের বিষয়টি, তখন ভ্রাম্যমাণ আদালত লকডাউন অমাণ্য ও স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে বর পক্ষকে ৫০০০ টাকা ও ড্রাইভারকে ২০০০ টাকা জরিমানা করেন। এ দিকে চলমান লকডাউনের ৭ম দিনেও বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে লকডাউন অমান্য ও স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে ১৩ টি মামলায় ১৮২০০ টাকা জরিমানা আদায় করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসারও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাইফুল ইসলাম মজুমদার এবং ১১ মামলায় ১৯০০০ টাকা জরিমানা আদায় করেন উপজেলা সহকারি কমিশনার(ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ক্ষেমালিকা চাকমা। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সাইফুল ইসলাম মজুমদার ও সহকারী কমিশনার(ভূমি) ক্ষেমালিকা চাকমা বলেন জনগণের সচেতনতা ছাড়া এ অবস্থা থেকে উত্তরণ আদৌ সম্ভব নয়, তাই তারা জনগণকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহবান জানান।
নোয়াখালীর বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা হাতিয়াতে প্রায় ১ কোটি ৬০ লক্ষ অবৈধ গলদা চিংড়ির রেণু পোনা উদ্ধার করে তা নদীতে অবমুক্ত করেছে কোস্টগার্ড। এর আনুমানিক মূল্য প্রায় ৩ কোটি ২০ লক্ষ টাকা। এ সময় কোস্টগার্ড সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয় নি।বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে উপজেলার আজমার খাল এলাকার একটি ইঞ্জিন চালিত নৌকা থেকে এসব চিংড়ি পোনা জব্দ হয়। বাংলাদেশ কোস্টগার্ড হাতিয়ার স্টেশন কমান্ডার লে.এ এস এম লুৎফর রহমান, (এক্স) বিএন বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাত ২ টায় হাতিয়ার আজমার খাল থেকে প্রায় ১ কোটি ৬০ লক্ষ অবৈধ গলদা চিংড়ির রেণু পোনা জব্দ করা হয় । যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৩ কোটি ২০ লক্ষ টাকা। পরে, পোনাসমূহ উপজেলা মৎস্য অফিসার এর উপস্থিতিতে আজ সকাল ৭ টায় উপজেলার তমরদ্দি কোস্টগার্ড পল্টুন থেকে মেঘনা নদীতে পুনরায় অবমুক্ত করা হয়। তিনি আরও বলেন, এত পরিমাণ গলদা চিংড়ির রেণু পোনা এর আগে আর কখনো উদ্ধার করা যায় নি। এছাড়া, নদীমাতৃক বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের আইন শৃংঙ্খা রক্ষা, মৎস্য সম্পদ রক্ষা ও প্রাকৃতিক দূর্যোগ মোকাবেলায় বাংলাদেশ কোস্টগার্ড সব সময় সচেষ্ট রয়েছে বলে তিনি জানান।
কোরবানির ঈদের পর দেশে যখন আবার লকডাউনের কঠোর বিধিনিষেধ ফিরবে, তখনও শিল্প কলকারখানা খোলা রাখার দাবি জানিয়েছে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রি (এফবিসিসিআই)।
সংগঠনের সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন বলেন, বিধিনিষেধের মধ্যে সব ধরনের শিল্প কারখানা বন্ধ রাখা হলে পণ্য সরবরাহ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বিঘ্নিত হবে। এতে উৎপাদন থেকে ভোক্তা পর্যন্ত প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। বিশেষ করে, খাদ্যসামগ্রী, কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ, বোতলজাত পানীয়, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য উৎপাদন বন্ধ থাকলে সাধারণ ভোক্তারা সমস্যায় পড়বেন। পণ্যসামগ্রী সঠিকভাবে সরবরাহ ও বাজারজাত না হলে পণ্যের মূল্য বাড়বে। এতে স্বল্প আয়ের মানুষ বিপদে পড়বে। পশাপাশি তৈরি পোশাকসহ রপ্তানি খাতে ক্রয়াদেশ হারাতে হবে।
শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি জসিম উদ্দিন ঈদের পর দুই সপ্তাহের কঠোর বিধিনিষেধে সব ধরনের শিল্প কারখানা চালু রাখার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, রপ্তানি খাতের কারখানা বন্ধ থাকলে নির্ধারিত সময়ে পণ্য রপ্তানি করা সম্ভব হবে না। এতে রপ্তানির ক্রয়াদেশ বাতিলের আশঙ্কা তৈরি হবে। ঈদের ছুটিসহ প্রায় ১৮ থেকে ২০ দিন কারখানা বন্ধ থাকলে গ্রীস্ম ও বড়দিন এবং আগামী শীতের বস্ত্র খাতের ক্রয়াদেশ হাতছাড়া হতে পারে। এক মাসের রপ্তানি শিডিউল বিঘ্নিত হলে পরবর্তী ছয় মাসের রপ্তানি শিডিউলে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। সেইসঙ্গে উৎপাদন বন্ধ থাকলে আমদানি করা কাঁচামাল নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। এতে আমদানিকারক ও উৎপাদক উভয়ই আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। এছাড়া ক্ষুদ্র ও ছোট কারখানা লম্বা সময় বন্ধ রাখা হলে উদ্যোক্তারা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বেন। এমনকি কারখানাগুলো পুনরায় চালু করাও অসম্ভব হয়ে পড়বে।
এফবিসিসিআই জানায়, এ অবস্থায় ইতোমধ্যে বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, বিটিএমএ, প্লাস্টিক গুডস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ টেরি-টাওয়েল ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনসহ রপ্তানি ও উৎপাদনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অ্যাসোসিয়েশন ও চেম্বারগুলো শিল্প-কারখানার উৎপাদন কার্যক্রম সচল রাখার বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য শীর্ষ এ সংগঠনকে অনুরোধ জানিয়েছে।
এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে ২৩ জুলাই থেকে শুরু হওয়া কঠোর বিধিনিষেধের প্রজ্ঞাপনে ওষুধ কারখানার বিষয়েও সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা নেই। যদি ওষুধ কারখানা বন্ধ রাখা হয়, তাহলে জীবন রক্ষাকারী ওষুধের সরবরাহ বিঘ্নিত হবে। অপরদিকে ট্যানারি বন্ধ রাখা হলে কোরবানির ঈদে সংগ্রহ করা চামড়া সংরক্ষণ কার্যক্রম ব্যাহত হবে।
জসিম উদ্দিন বলেন, বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে জীবনরক্ষাকে অবশ্যই অগ্রাধিকার দিতে হবে। কিন্তু উৎপাদন ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা হলে খাদ্যপণ্যসহ অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সংকট দেখা দেবে। সে জন্য ঈদের পর দুই সপ্তাহের কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যেও সব ধরনের শিল্পকারখানা চালু রাখা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্ব ও দিকনির্দেশনায় বিদ্যমান বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দা পরিস্থিতির মধ্যেও দেশের অর্থনৈতিক কার্যক্রম সচল রয়েছে। যদি উৎপাদন ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা হয়, তাহলে অর্থনীতির চলমান গতিধারা ব্যাহত হবে। জীবন ও জীবিকার মধ্যে সমন্বয়ের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকার বাস্তবায়নে অর্থনৈতিক কার্যক্রমকেও সচল রাখতে উৎপাদন ব্যবস্থাকে চলমান রাখা জরুরি। এ প্রেক্ষাপটে শিল্প কারখানাকে বিধিনিষেধের আওতার বাইরে রেখে উৎপাদন প্রক্রিয়াকে চলমান রাখতে সরকারের প্রতি আহবান জানিয়েছেন এফবিসিসিআই সভাপতি।
করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ সামলাতে চলতি বছরে সরকার কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করলেও রপ্তানিমুখী পোশাকসহ অন্যান্য শিল্পকারখানা উৎপাদন চালু রাখার সুযোগ পায়। তবে গত মঙ্গলবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জারি করা নতুন প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ২৩ জুলাইর পর থেকে আবার কঠোর বিধিনিষেধ চলবে ৫ আগস্ট রাত ১২টা পর্যন্ত। এ সময়ে সব ধরনের শিল্পকারখানাও বন্ধ থাকবে।
নোয়াখালী জেলা কারাগারে হত্যা মামলায় গ্রেফতার আব্দুর রব ওরফে বাবলু ড্রাইভার (৬০) নামের এক হাজতির মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই) ভোরে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। মৃত আব্দুর রব বাবুল নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার কাবিলপুর ইউনিয়নের সাদেকপুর গ্রামের বাসিন্দা। এর আগে, গত (২৩ ফেব্রুয়ারী) নিজের স্ত্রী তাহমিনা আক্তার মিনাকে (৫৫) কুপিয়ে ও জবাই করে হত্যার ঘটনায় তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। নোয়াখালী জেলা কারাগারের তত্ত্বাবধায় (সুপার) ফণী ভূষণ দেবনাথ বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি আরও জানান, গত (২৪ ফেব্রুয়ারী) থেকে বাবুল নোয়াখালী জেলা কারাগারে ছিল। তিনি আগে থেকেই ডায়াবেটিস রোগের ইনসুলিন নিতেন। উচ্চমাত্রার ডায়াবেটিস ও দুই ফোলা অবস্থায় গত (২৮ জুন) প্রথমে তাকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে আজ ভোর ৬টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। উল্লেখ্য, চলতি বছরের গত (২৩ ফেব্রুয়ারী) সকাল ১০টার দিকে নোয়াখালীর সেনবাগের কাবিলপুর ইউনিয়নের ৮নম্বর ওয়ার্ডের সাদেকপুর গ্রামের ওয়ালী ভূঁইয়া বাড়িতে তাহমিনা আক্তার প্রকাশ মিনাকে ( ৫৫) গলা কেটে জবাই করে হত্যা করে তার স্বামী আবদুর রব বাবুল । নিহত গৃহবধূর পিতার বাড়ি ছিল রাজশাহীতে। তিনি তুহিন (৩০) ও তারেক (২৮) দুই সন্তানের জননী। স্থানীয়রা জানায়,ঘাতক আবদুর রব ৪ মাস আগে সৌদি আরব থেকে দেশে আসে টাকা-পয়সার হিসাব নিকাশ নিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে দ্বন্দ্বের জেরে এই হত্যাকান্ড ঘটে।